পাম অয়েল রফতানিতে শুল্ক বৃদ্ধির ঘোষণা ইন্দোনেশিয়ার

বায়োডিজেল উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধিতে আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইন্দোনেশিয়া সরকার।

বায়োডিজেল উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধিতে আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইন্দোনেশিয়া সরকার। এ লক্ষ্যে পাম অয়েল রফতানিতে শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। গত বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ার প্রধান অর্থমন্ত্রী এরলাংগা হার্তার্তো বলেন, ‘অপরিশোধিত পাম অয়েল রফতানি শুল্ক ১০ শতাংশে উন্নীত করা হবে, আগে যা ছিল ৭ দশমিক ৫ শতাংশ।’ খবর হেলেনিক শিপিং নিউজ।

এরলাংগা হার্তার্তো জানান, সংশ্লিষ্ট অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়মাবলি জারির সময় এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে।

বিশ্বে শীর্ষ পাম অয়েল রফতানিকারক দেশ ইন্দোনেশিয়া। দেশটিতে বর্তমানে বায়োডিজেল মিশ্রণের পরিমাণ ৩৫ শতাংশ। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে তা ৪০ শতাংশ করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। মিশ্রণের পরিমাণ বাড়লে আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর প্রয়োজনও বেশি হবে।

ইন্দোনেশিয়ায় পাম অয়েল তহবিল ও ব্যবস্থাপনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা বিপিডিপিকেএস। সংস্থাটি নভেম্বরে দেয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, বায়োডিজেলের বাধ্যতামূলক মিশ্রণ ৪০ শতাংশ করা হলে আর্থিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হবে।

এরলাংগা জানান, শুল্ক ১০ শতাংশ বাড়ানোর পর বিপিডিপিকেএস থেকে বায়োডিজেল মিশ্রণে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।

এদিকে পাম অয়েল গ্রুপ জিএপিকেআইয়ের চেয়ারম্যান এডি মারটোন্নো বলেন, ‘‌বাড়তি শুল্ক ইন্দোনেশিয়ার রফতানি প্রতিযোগিতা কমিয়ে দিতে পারে। মালয়েশিয়ার তুলনায় আমাদের শুল্ক, রফতানি কর ও অভ্যন্তরীণ বাধ্যবাধকতার কারণে বেশি দামে পাম অয়েল বিক্রি হচ্ছে।’

আরও